সময়: নির্বাচন পূর্ববর্তী কয়েকদিন ও ফলাফল ঘোষণার পর (ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
স্থান: বাসুদেব ইউনিয়ন, দক্ষিণপাড়া ও আশেপাশের গ্রাম
ভোটের কয়েকদিন আগে কিছু স্থানীয় যুবক আর রাজনৈতিক কর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে নারীদের ভেতরে ভয়ে ফেলতে চেষ্টা করে। তারা বলে, “ভোট গোপন ঠিক আছে, কিন্তু আমরা জানি কে কারে ভোট দিয়েছে। পরে যেন সমস্যা না হয়।” অনেক নারী ভেবে বসে, যদি অন্য প্রার্থীকে ভোট দেয়, পরিবারের মধ্যে বা গ্রামে সমস্যা হবে। ভোটের দিন কেউ কেউ ভয়ে একটু দেরি করে যায়, কেউ ভোট দিতে দ্বিধা করে।
ফল ঘোষণার পরে আবার গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে দক্ষিণপাড়ের কয়েকটি পরিবার “বিরোধী প্রার্থীকে” ভোট দিয়েছে। বাজারে ফিসফিসে শোনা যায়, “দেখছিস, এরা কত চালাক!” বাসায় ফিরে স্বামী বা পরিবারের সদস্যরা সতর্ক করে বলে, “তোমার জন্য আমাদেরকে কথা শুনতে হয়েছে।” সরাসরি মারধর না হলেও মানসিক চাপ, পারিবারিক নির্দেশ এবং সামাজিক অপমান নারীর ভোটাধিকারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পরে বিষয়টা স্থানীয় মুরুব্বিদের কাছে যায়। তারা বসে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে হুমকি দাতা পক্ষকে সতর্ক করে, এবং যারা ভয় বা চাপের কারণে ভোট দিতে পারেননি তাদের মনোবল দেয়, আর সামাজিক শান্তি বজায় রাখতে ইউনিয়ন অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে শালিশ করে।