সময়: ১১ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রি.; দুপুর ১:০০ ঘটিকায়।
স্থান: রামরাইল ইউনিয়ন
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোটাধিকার নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়েই চরম হতাশার মুখে পড়েছিলেন বিয়াল্লিশ্বর গ্রামের বাসিন্দা ফুল বানু আক্তার। গত জাতীয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তিনি জানতে পারেন—তার ভোট ইতোমধ্যেই প্রদান করা হয়েছে। ফলে তিনি আর ভোট দিতে পারেননি।
ফুল বানু আক্তার জানান, ভোটের দিন সকালেই তিনি যথাসময়ে কেন্দ্র উপস্থিত হন। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাকে জানান, ভোটার তালিকা অনুযায়ী তার ভোট ইতোমধ্যেই কাস্ট করা হয়েছে। বিষয়টি শুনে তিনি বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হন। তার দাবি, তিনি কখনোই নিজের ভোট অন্য কাউকে দেওয়ার অনুমতি দেননি।
তিনি বলেন, “ভোট তো আমার অধিকার। আমি নিজে না দিয়ে কিভাবে আমার ভোট হয়ে যায়? সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।”
এ ঘটনার পর তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন বলে জানান। তার ভাষায়, “যখন নিজের ভোটই দিতে পারলাম না, তখন ভোট দিতে গিয়ে লাভ কী?” এ কারণে আসন্ন নির্বাচনে তিনি ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এমন অভিযোগ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগজনক। তারা মনে করেন, ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ ভূমিকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভোট জালিয়াতি বা অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত ও সমাধানের দাবি উঠেছে।
গণতন্ত্রের শক্ত ভিত গড়ে তুলতে প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। ফুল বানু আক্তারের মতো ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা এখন সময়ের দাবি।