Community monitoring reports on women's participation in elections, digital safety, and civic empowerment.
১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন চলাকালে ধানের শীষের এজেন্টরা জোর করে যারা একটু সহজ সরল ও ভোট দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানে না তাদেরকে ধানের শীষ এর এজেন্টরা নিজে থেকে ধানের শীষ এ ভোট দিয়ে দিছে। তেলিনগর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট চলাকালে কয়েকজন সাথে কথা বলে এ কথা জানতে পারি।
১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চলাকালে আমাদের ৭নং তালশহর ইউনিয়ন তেলিনগর গ্রামের ১ নং ওয়ার্ড সেন্টার এ আনুমানিক দুপুর ২ টায় ভোট দেওয়ার কিছু অনিয়ম দেখা যায়। দেখা যায় যে যারা প্রবাসী এবং মৃত ব্যক্তি তাদের ও কিছু লোক ওই ভোটগুলো দিয়ে দিচ্ছে। আমাদের এলাকায় ধানের শীষ এর সাপোর্টার একটু বেশি যার জন্য আমি বলতে গেলে সমস্যা হবে। তাই কিছু বলি নি।
আজকে ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের ভোট চলাকালে তালশহর পূর্ব ইউনিয়নে তেলিনগর উত্তর পাড়ায় এর মহিলার সাথে কথা বলে জানা যায় যে, ইনি বলতেছে এলাকার স্থানীয় নেতারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটের আগের দিন বুঝিয়েছে যে, বাংলাদেশ জামাত ইসলাম নাকি শিরা কেটে দেয়, জামাত ইসলাম যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে নাকি জনগণের শিরা কেটে দিবে, এজন্য ধানের শীষ এ ভোট দেওয়ার জন্য এলাকার নেতারা বলে দিছে।
তালশহর ইউনিয়নের অষ্টগ্রাম বাজার সংলগ্ন একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহারকে কেন্দ্র করে সাময়িক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এক তরুণ ভোটার বুথের ভেতরে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করলে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা তাকে বাধা দেন।
তালশহর ইউনিয়নের অষ্টগ্রাম বাজার সংলগ্ন একটি ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন ভোটার তাদের নাম ভোটার তালিকায় খুঁজে না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।
নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর আমেজ। এরই অংশ হিসেবে তালশহর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সরাসরি সহিংসতার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মাঠপর্যায়ে ঘুরে দেখা যাচ্ছে, অতীত অভিজ্ঞতার কারণে অনেক ভোটারের মনে এখনও রয়ে গেছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা।