Community monitoring reports on women's participation in elections, digital safety, and civic empowerment.
নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় বাড়ছে নানা ধরনের অভিযোগ ও শঙ্কা। এরই মধ্যে এক বয়স্ক বিধবা নারী অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিয়মিত পাওয়া বয়স্ক ভাতা ও রেশন সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফলে জীবন-জীবিকার অনিশ্চয়তায় তিনি এবার ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে এলাকায় উদ্বেগজনক একটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। গত সপ্তাহে বাজারে কেনাকাটা করতে যাওয়ার সময় একদল উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি এক নারী ভোটারের পথরোধ করে তাঁর রাজনৈতিক পছন্দ সম্পর্কে জানতে চায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল ইউনিয়ন বাজারে নির্বাচনকে ঘিরে আবারও অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এলাকায়। ভোটকেন্দ্রে সম্ভাব্য গণ্ডগোলের পুরনো স্মৃতি ও ভীতি এবারও তাড়া করছে সাধারণ মানুষকে, বিশেষ করে নারী ভোটারদের। নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল ইউনিয়নের ভোলাচং গ্রামের একটি অংশে সম্প্রতি নারীদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে কিছু ব্যক্তি প্রচার করছেন যে, নারীদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া ‘পর্দার খেলাপ’ এবং এটি অমঙ্গলজনক।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোটাধিকার নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়েই চরম হতাশার মুখে পড়েছিলেন বিয়াল্লিশ্বর গ্রামের বাসিন্দা ফুল বানু আক্তার। গত জাতীয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তিনি জানতে পারেন—তার ভোট ইতোমধ্যেই প্রদান করা হয়েছে। ফলে তিনি আর ভোট দিতে পারেননি।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে যখন উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরির কথা, তখনই এক নারী ভোটারের পরিবারে নেমে এসেছে আতঙ্ক। অভিযোগ উঠেছে, নির্দিষ্ট প্রতীকের বাইরে ভোট দিলে তার স্বামীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই নারী ভোটার ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা ভাবছেন।
নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় নাটাই উত্তর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলাকালে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে। অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা মনে করেন ভোট গণনা কোনো জালিয়াতি করছে,।
৮ নং নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এ একজন মহিলাকে জিজ্ঞাসা করে যানা যয় যে তিনি হ্যাঁ ভোট না ভোট সম্পর্কে কিছু যানেন না। তিনি ভোট দেওয়ার পূর্বে নাকি ওনার এক প্রতিবেশী ওনাকে যানিয়ে যান যে বেলট পেপার দুইটা দিবে একটাতে প্রতিক থাকবে অন্যটিতে হ্যাঁ না থাকবে প্রথমটির প্রতিকে সিল দিয়ে তার পর দ্বিতীয় বেলট পেপারে হ্যাঁ তে সিল দিতে হবে, আর যদি না তে দেয় তাহলে নাকি ওনার ভোট বাতিল হয়ে যাবে,।
ভোটগ্রহণের দিন দুপুরের দিকে নাটাই উত্তর ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বাধা দেওয়া এবং দায়িত্বরতদের ভয় দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।