Community monitoring reports on women's participation in elections, digital safety, and civic empowerment.
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে কিছু সচেতন মানুষের সাথে কথা বলে আমার মনে হলো নারীরা সরকার গঠনের ভূমিকায় এবার সবচেয়ে এগিয়ে। কেননা, পুরুষের চেয়ে নারীদের উপস্থিতি ছিলো অনেক বেশি। এক নারী ভোটার তার মনের অভিব্যক্তি এভাবে ব্যক্ত করেন, "আমার ভোট আমার অধিকার, এ ভোটাধিকার প্রয়োগে আমি অনেক খুশি।
সকাল ১১:৩৫, নির্বাচন পূর্ব এ সময়ে নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাসার গ্রামের কিছু নারী ভোটারের সাথে আলাপ কালে তারা জানায় এ বছর তারা মিলে মিশে দল বেধে ভোট দিতে যাবে।
সময় : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬; আনুমানিক ১ টা স্তান : নাটাই উত্তর ইউনিয়ন ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচ...
সুলতানপুরের ৭ নং ইউনিয়নের এক মধ্যবিত্ত পরিবার গত কয়েক প্রজন্ম ধরে একটি এলাকায় বসবাস করছে। বর্তমান নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় কর্মীরা তাদের বাড়িতে গিয়ে শাসন করে আসে যে, যদি ওই এলাকার 'নির্ধারিত' প্রার্থীর পক্ষে সবাই ভোট না দেয়, তবে তাদের বাড়ির পেছনের রাস্তাটি যেটা সরকারি জমিতে অবস্থিত বলে দাবি করা হচ্ছে, তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
রাধিকার এক যুবক তার এলাকায় একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধির অনুসারীরা তার ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শাসিয়ে আসে।
সময়: ০৮/০২/ ২০২৬ সকাল ১০টায়স্থান: সুলতানপুর ইউনিয়ন, সুলতানপুর এবং আশেপাশের গ্রাম।সুলতানপুরের ৩নং ইউনিয়নের একটি নিম্নবিত্ত পরিবারের প্রধান উপার্...
নির্বাচন এর দিন একজন প্রার্থী বাসুদেব ইউনিয়ন এর কোড্ডা গ্রামের মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে যাতায়াত এর জন্য তাদের না জানিয়েই অটোরিক্সা পাঠিয়ে দেয়। এবং সেই অটোচালক তাদের বাড়িতে গিয়ে তাদের আসার জন্য তাগাদা দেন।
০৯/০২/২০২৬ , সকাল ১১ টার দিকে বাসুদেব দক্ষিণ পাড়া কুতুব মোল্লা'র বাড়িতে স্থানীয় ছেলেরা দলীয় প্রচারণায় এসেছিলো ভোটার স্লিপ দিতে। তখন বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তারা কেউ কথা বলতে রাজি হয় নি, এক পর্যায়ে স্থানীয় ছেলেরা এক প্রকার হুমকির সুরে বলেছে ❝ আমাদের মার্কায় ভোট না দিলে কিন্তু খবর আছে, অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিলে কিন্তু আমরা দেখমু।
ভোটের কয়েকদিন আগে কিছু স্থানীয় যুবক আর রাজনৈতিক কর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে নারীদের ভেতরে ভয়ে ফেলতে চেষ্টা করে। তারা বলে, “ভোট গোপন ঠিক আছে, কিন্তু আমরা জানি কে কারে ভোট দিয়েছে। পরে যেন সমস্যা না হয়।” অনেক নারী ভেবে বসে, যদি অন্য প্রার্থীকে ভোট দেয়, পরিবারের মধ্যে বা গ্রামে সমস্যা হবে। ভোটের দিন কেউ কেউ ভয়ে একটু দেরি করে যায়, কেউ ভোট দিতে দ্বিধা করে।